
এম আবু হেনা সাগর,ঈদগাঁও
কক্সবাজারের ঈদগাঁওতে টানা দুদিনে বৃষ্টিপাতে নিমাঞ্চল প্লাবিত হয়ে শিক্ষা্থীসহ নারী পুরুষরা চরমভাবে বিপাকে পড়েন। রবিবার সকাল থেকে বৃষ্টিপাত শুরু হয়ে এখনো অব্যাহত রয়েছে। টানা বৃষ্টিতে জবুতবু হয়ে পড়ে নিমাঞ্চল এলাকার মানুষজন।সোমবার ( ৬ এপ্লিল) সকালে মাইজ পাড়া গ্রাম পরিদর্শনে দেখা যায়,ভরাখালের পাশ্ববর্তী স্থানে ঘরবাড়ীর উঠানসহ আশপাশ প্লাবিত হয়ে পড়ে।একদিকে টানা বৃষ্টি, অন্যদিকে খাল দিয়ে পানি চলাচল না থাকায় এহেন অবস্থা সৃষ্টি। এলাকার গ্রাম্য সড়কও যাতায়াত রাস্তায় পানিতে সয়লাব।চলাচলের নেই কোন সুষ্ঠু পরিবেশ। দীর্ঘকালেও এসব দেখার যেন কেউ নেই। জানা যায়, টানা বৃষ্টির ফলে এলাকার চারপাশে পানিতে ভরপুর। শিক্ষাথীরাও প্রতিষ্ঠানে যেতে অনিহা প্রকাশ করছেন। খালে জমে থাকা ময়লা আবজনার দূগন্ধে বিষিয়ে উঠে গ্রামের পরিবেশ বৃষ্টির পানিতে প্লাবিত হয়ে পড়ে বাড়ীঘরে উঠান। ফলে বের হতে পারছেনা লোকজনরা। অনেকে চুলায় আগুন জ্বালাতে পারেনি। রাইস কুকারে রান্না করতেও দেখা যায়। আবার বহু পরিবারে গ্যাসের চুলা থাকলেও গ্যাস না থাকায় বিপাকে পড়েন তারা। অবিরাম বৃষ্টিতে বাহির হওয়ার মত নেই কোন সুযোগ। দৈনিক আয়ের উপর নির্ভর শীল লোকজন অনেকটা বেকায়ত্ব অবস্থায়।বৃষ্টি বাদলের দিনে তেমন কাজ কর্ম নেই। তথ্য মতে, দীর্ঘবছর ধরে ঈদগাঁও মাইজ পাড়ার ভরাটখালটি খনন না হওয়ায় খাল পাড়ের লোক জনদের বর্ষা মৌসুমে মরন দশায় ভোগতে হয়। কেননা,খালের পানি চলাচল না থাকায় কোথাও যেতে না পারায় উঠানসহ আশেপাশেই প্লাবিত হয়ে জনদূভোগের কবলে পড়তে হয় বর্ষাকালে।স্থানীয়রা হতাশ কন্ঠে জানান, এমন দূভোগ আর কতকাল। প্রতিবছর বর্ষাকাল এলে চরম আতঙ্ক থাকতে হয়। এতো কষ্ট মেনে নেওয়া যায়না।গৃহবধূ জানান, একদিকে জমে থাকা খালের পানি, অন্যদিকে বৃষ্টির পানি। দুই সমস্যা নিয়ে দীর্ঘকাল। রান্নার কাজকর্ম নিয়েও ভোগান্তিতে পড়তে হয়। খাল খনন পূর্বক পানি চলাচলের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে একটি স্থায়ী সমাধানের জোর দাবী জানিয়েছেন তারা। সচেতন মহল জানান,দীর্ঘবছর ধরে ভরাখালটি খনন না করার করুন পরিনতি ভোগতে হচ্ছে স্থানীয় লোকজনকে। যদি খালটি খনন করা হতো, পানি সুষ্ঠুভাবে চলাচল করতে পারলে খালপাড়ের লোকজনদেরকে এত ভোগান্তিতে পড়তে হতনা। খালটি খনন করে দূভোগ থেকেই রক্ষা করার দাবী।
